একজন ফ্রিল্যান্সির কি কি কারনে ব্যর্থ হয়!

একজন ফ্রিল্যান্সির কি কি কারনে ব্যর্থ হয়!

ফ্রিল্যান্সিং পেশাটির প্রতি সবারই আলাদা একটি আগ্রহ কাজ করে। অনেকেই পেশা হিসেবে এটি বেছে নিতে চায়। কেউ বা সফল হয় কেউবা ব্যর্থ। যারা সফল হয় তাদের বেশ কিছু গুণের কারণেই সফল হয়। আবার যারা ব্যর্থ হয়, তারা বেশ কিছু ভুল/ত্রুটি কিংবা বদঅভ্যাসের জন্যই ব্যর্থ হয়। ফ্রিল্যান্সারের জন্য শুধু কার্যদক্ষতাই নয় বরং মানসিক সামর্থ ও প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ফ্রিল্যান্সার নিজেও জানে না, কেন তার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে।
এই লেখাটিতে একজন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হওয়ার উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি কারণ নিয়ে লিখা হলো। সফল হতে চাইলে এগুলো একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত। এর বাইরে আপনাদের কাছে আরও মতামত থাকতে পারে। দয়া কমেন্টে সেগুলো উল্লেখ করুন।
১. দ্বিধাদ্বন্দ ও সিদ্ধান্তহীনতা : একজন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ তার সিদ্ধান্তহীনতা। চাকরি জীবন উত্তম হবে, নাকি ফ্রিল্যান্সিং জীবন?- এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সে দোটানায় পড়ে যায়। যার দরুণ তার আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি দেখা যায়। এই দুর্বল আত্মবিশ্বাস নিয়ে সে অনেকটা দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করে। পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। ফলশ্রুতিতে অল্প কিছুদিনেই সে উদ্যম হারিয়ে ফেলে এবং নিজের অজান্তেই নিজেকে ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দেয়।
২. পর্যাপ্ত যোগ্যতা/দক্ষতার অভাব : যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হলো পর্যাপ্ত স্কিল/যোগ্যতার অভাব। ফ্রিল্যান্সিং থেকে মোটা অংকের অর্থ কামানো যায় শুনেই কিছু লোক ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে ঝুঁকে পড়ে। অথচ তাদের কার্যদক্ষতা বা যোগ্যতা সেই মানের নয়। যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে খুব শীঘ্রই ফ্রিল্যান্সিংয়ে ব্যর্থ হবে- এটা একটা অবধারিত বিষয়। এই সমস্যাটি সম্প্রতি খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।
৩. সার্ভিসের প্রতি অমনোযোগী : ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ক্লায়েন্টকে আপনি কি রকম সার্ভিস দিচ্ছেন; তার উপর আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নির্ভর করছে। আপনি টাইমের প্রতি অমনোযোগী, ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে রেসপন্স করছেন না, যেভাবে কাজ গুছিয়ে দেয়ার কথা সেভাবে দিচ্ছে না। খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনি ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করতে পারবেন না। সার্ভিসের প্রতি উদাসীন ফ্রিল্যান্সার কখনওই সফল হতে পারে না।
৪. এলোমেলো সময়সূচী ও কার্যপদ্ধতি : আপনি আপনার দৈনন্দিন সময়ের সাথে ফ্রিল্যান্সিং কাজগুলোকে মানিয়ে নিতে পারছেন না। দেরি করে ঘুম থেকে উঠেন। লাঞ্চে অযথা সময় ব্যয় করেন। প্রচুর কাজ থাকা সত্ত্বেও আড্ডায় মগ্ন থাকেন। আপনার কাজের কোন নির্দিষ্ট সময়সূচী নেই। এই বিষযগুলো খুব দ্রুতই আপনাকে ব্যর্থতার দিকে টেনে নিয়ে যাবে। সবগুলো কাজ এবং কার্যপদ্ধতিতে সময়ের ফ্রেমে বাঁধতে না পারলে সফল হওয়া অসম্ভব। এ গুণটির যাদের মধ্যে নেই, তারা দ্রুতই ব্যর্থতায় পতিত হয়।
৫. মনোবলহীনতা / হাল ছেড়ে দেয়া : আপনি খুব অল্পতে হতাশ হয়ে যান? হাল ছেড়ে দেন? তবে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য নয়। আর যদি এই অভ্যাস থাকার পর আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তবে শুধু ব্যর্থতাই আপনার জন্য অপেক্ষা করবে, সফলতা নয়। ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মেও আপনাকে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হবে। এগুলো উৎরে তবেই আপনি সফলতার কথা ভাবতে পারেন। হাল ছেড়ে দেয়ার মানসিকতা শুধু ফ্রিল্যান্সিং নয় সব ক্ষেত্রেই আপনার ব্যর্থতা ডেকে আনবে।
৬. কাজ খোঁজায় অলসতা : আপনি যখন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন, প্রথমদিকে আপনাকে অবশ্যই কাজের জন্য ক্লায়েন্টদেরকে নক করতে হবে। আপনি যদি কাজ খোঁজার ক্ষেত্রে অলসতা দেখান, তবে শুরুতেই আপনি আপনার ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ারের ধ্বংস ডেকে আনলেন। হুম্ম। যখন আপনি বেশ কিছু প্রজেক্ট সম্পন্ন করলেন তখন আপনাকে হয়তো নতুন করে কাজ খুঁজতে হবে না। পুরাতন ক্লায়েন্টরাই হযতো আপনার কাজ পাওয়ার উৎস হয়ে যাবে। তবে সময়সময়ই নতুন কাজ সন্ধান করা উত্তম। এতে কাজ পাবার পরিধিটা বড় হয়।
এখানে অল্প কয়েকটা বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। যেগুলোর বেশিরভাগই মনস্তাত্বিক বিষয়। এছাড়াও আরও বেশ কিছু বিষয় ব্যর্থতার প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করে। সেগুলো পরবর্তীতে একসময় লিখা ইচ্ছে আছে। শেষ কথা হলো, একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই সফল হওয়ার আকাংঙ্খা নিয়ে কাজ করতে হবে। এবং উপরোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরী। নতুন ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার যেকোন পর্যায়ে ধ্বসে পড়তে পারে। যা কারও কাম্য নয়।
তাই সকল মনোবলহীনতা ঝেড়ে আবার পূর্ণ উদ্যেগে কাজে লেগে যান। সফলতা অবশ্যই ধরা দিবে।ফ্রিল্যান্সিং পেশাটির প্রতি সবারই আলাদা একটি আগ্রহ কাজ করে। অনেকেই পেশা হিসেবে এটি বেছে নিতে চায়। কেউ বা সফল হয় কেউবা ব্যর্থ। যারা সফল হয় তাদের বেশ কিছু গুণের কারণেই সফল হয়। আবার যারা ব্যর্থ হয়, তারা বেশ কিছু ভুল/ত্রুটি কিংবা বদঅভ্যাসের জন্যই ব্যর্থ হয়। ফ্রিল্যান্সারের জন্য শুধু কার্যদক্ষতাই নয় বরং মানসিক সামর্থ ও প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ফ্রিল্যান্সার নিজেও জানে না, কেন তার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে।
এই লেখাটিতে একজন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হওয়ার উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি কারণ নিয়ে লিখা হলো। সফল হতে চাইলে এগুলো একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত। এর বাইরে আপনাদের কাছে আরও মতামত থাকতে পারে। দয়া কমেন্টে সেগুলো উল্লেখ করুন।
১. দ্বিধাদ্বন্দ ও সিদ্ধান্তহীনতা : একজন ফ্রিল্যান্সার ব্যর্থ হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ তার সিদ্ধান্তহীনতা। চাকরি জীবন উত্তম হবে, নাকি ফ্রিল্যান্সিং জীবন?- এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সে দোটানায় পড়ে যায়। যার দরুণ তার আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি দেখা যায়। এই দুর্বল আত্মবিশ্বাস নিয়ে সে অনেকটা দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করে। পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। ফলশ্রুতিতে অল্প কিছুদিনেই সে উদ্যম হারিয়ে ফেলে এবং নিজের অজান্তেই নিজেকে ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দেয়।
২. পর্যাপ্ত যোগ্যতা/দক্ষতার অভাব : যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হলো পর্যাপ্ত স্কিল/যোগ্যতার অভাব। ফ্রিল্যান্সিং থেকে মোটা অংকের অর্থ কামানো যায় শুনেই কিছু লোক ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে ঝুঁকে পড়ে। অথচ তাদের কার্যদক্ষতা বা যোগ্যতা সেই মানের নয়। যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে খুব শীঘ্রই ফ্রিল্যান্সিংয়ে ব্যর্থ হবে- এটা একটা অবধারিত বিষয়। এই সমস্যাটি সম্প্রতি খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।
৩. সার্ভিসের প্রতি অমনোযোগী : ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ক্লায়েন্টকে আপনি কি রকম সার্ভিস দিচ্ছেন; তার উপর আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নির্ভর করছে। আপনি টাইমের প্রতি অমনোযোগী, ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে রেসপন্স করছেন না, যেভাবে কাজ গুছিয়ে দেয়ার কথা সেভাবে দিচ্ছে না। খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনি ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করতে পারবেন না। সার্ভিসের প্রতি উদাসীন ফ্রিল্যান্সার কখনওই সফল হতে পারে না।
৪. এলোমেলো সময়সূচী ও কার্যপদ্ধতি : আপনি আপনার দৈনন্দিন সময়ের সাথে ফ্রিল্যান্সিং কাজগুলোকে মানিয়ে নিতে পারছেন না। দেরি করে ঘুম থেকে উঠেন। লাঞ্চে অযথা সময় ব্যয় করেন। প্রচুর কাজ থাকা সত্ত্বেও আড্ডায় মগ্ন থাকেন। আপনার কাজের কোন নির্দিষ্ট সময়সূচী নেই। এই বিষযগুলো খুব দ্রুতই আপনাকে ব্যর্থতার দিকে টেনে নিয়ে যাবে। সবগুলো কাজ এবং কার্যপদ্ধতিতে সময়ের ফ্রেমে বাঁধতে না পারলে সফল হওয়া অসম্ভব। এ গুণটির যাদের মধ্যে নেই, তারা দ্রুতই ব্যর্থতায় পতিত হয়।
৫. মনোবলহীনতা / হাল ছেড়ে দেয়া : আপনি খুব অল্পতে হতাশ হয়ে যান? হাল ছেড়ে দেন? তবে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য নয়। আর যদি এই অভ্যাস থাকার পর আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তবে শুধু ব্যর্থতাই আপনার জন্য অপেক্ষা করবে, সফলতা নয়। ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মেও আপনাকে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হবে। এগুলো উৎরে তবেই আপনি সফলতার কথা ভাবতে পারেন। হাল ছেড়ে দেয়ার মানসিকতা শুধু ফ্রিল্যান্সিং নয় সব ক্ষেত্রেই আপনার ব্যর্থতা ডেকে আনবে।
৬. কাজ খোঁজায় অলসতা : আপনি যখন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন, প্রথমদিকে আপনাকে অবশ্যই কাজের জন্য ক্লায়েন্টদেরকে নক করতে হবে। আপনি যদি কাজ খোঁজার ক্ষেত্রে অলসতা দেখান, তবে শুরুতেই আপনি আপনার ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ারের ধ্বংস ডেকে আনলেন। হুম্ম। যখন আপনি বেশ কিছু প্রজেক্ট সম্পন্ন করলেন তখন আপনাকে হয়তো নতুন করে কাজ খুঁজতে হবে না। পুরাতন ক্লায়েন্টরাই হযতো আপনার কাজ পাওয়ার উৎস হয়ে যাবে। তবে সময়সময়ই নতুন কাজ সন্ধান করা উত্তম। এতে কাজ পাবার পরিধিটা বড় হয়।
এখানে অল্প কয়েকটা বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। যেগুলোর বেশিরভাগই মনস্তাত্বিক বিষয়। এছাড়াও আরও বেশ কিছু বিষয় ব্যর্থতার প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করে। সেগুলো পরবর্তীতে একসময় লিখা ইচ্ছে আছে। শেষ কথা হলো, একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই সফল হওয়ার আকাংঙ্খা নিয়ে কাজ করতে হবে। এবং উপরোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরী। নতুন ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার যেকোন পর্যায়ে ধ্বসে পড়তে পারে। যা কারও কাম্য নয়।
#তাই_সকল_মনোবলহীনতা_ঝেড়ে_আবার_পূর্ণ_উদ্য_কাজে_লেগে_যান#সফলতা_অবশ্যই_ধরা_দিবে

https://www.facebook.com/FiverrHelpBangladesh/

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *