কেন ফ্রীল্যান্সিং করবো ?

কেন ফ্রীল্যান্সিং করবো ?

সময়ের পরিবতেনের সাথে সাথে অনলাইনে সুযোগ সুবিধা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে । তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ফ্রীল্যান্সিং । বতমানে ফ্রীল্যান্সিং এর মাধ্যমে একজন মানুষ তার নিজ দায়িত্বে নিজেকে স্বনিরভর এবং দক্ষ করতে পারে । তবে প্রশ্ন হচ্ছে কেন ফ্রীল্যান্সিং করবো ????
.
কর্তৃত্ব দেখানোর কেউ নেই – আমরা নিজ নিজ জায়গা থেকে সবাই স্বাধীন ভাবে কাজ করতে চাই । যেমন আপনি যদি “গ্রাফিক রিভার” এ কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার সার্ভিস গুলোই আপনি নিজেই বিক্রয় করতে পারছেন ।
.
পরিবারকে সময় দেয়ার সুযোগ – আমরা সবাই একটু আমোদ প্রিয় । সব কাজ রেখে হলেও চাই একটু সময় বের করতে যেটা শুধু মাত্র নিজের পরিবারের জন্য । ফ্রীল্যান্সিং করলে পরিবারকে সময় দেওয়ার অনেক সুযোগ থাকে কারণ আমি যদি ঘন্টা হিসাবে কাজ করি তবে নিদির্ষ্ট কিছু সময় ছাড়া আমার আর কাজে বসতে হচ্ছে না । চাইলে আমি ঔ অবসর সময়য়ে অন্য কাজ্ও করতে পারি ।
.
কাজের নিরাপত্তা – বতমান সময়ে দেখা যায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যারা মাস শেষে বেতন দিতে উদাসীন থাকে । তবে ফ্রীল্যান্সিং করলে আপনার লেনদেন নিরাপদে করা সম্ভব । অনলা্ইনে কাজ গুলো হয় নিদিষ্ট বাজেটে অথবা ঘন্টা হিসাবে তাই টাকা উত্তোলন বা প্রদান এর ক্ষেত্রে কোন ঝামেলা নেই । বতমানে আমাদের দেশীয় মার্কেট প্লেস “বিল্যান্সার” দিচ্ছে “বিকাশ” এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলের সুযোগ । যা আপনার অনালাইনের কাজকে আরো নিরাপদ ও সহজ করে দিয়েছে ।
.
কাজের সময় নিজের মত করে নির্ধারণ করার সুযোগ– একজন ফ্রীল্যান্সার তার পছন্দমত কাজের সময়সূচি ঠিক করে নিতে পারেন, হতে পারে সেটা গভীর রাতে অথবা দিন ।
.
ব্যক্তি চাহিদা সম্পর্কে ধারনা – ফ্রিল্যান্সার হবার একটি অন্যতম সুবিধা হল নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অথ উর্পাজনের নিশ্চয়তা যা নিজের চাহিদা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে সাহায্য করে ।
নিজের মূ্ল্য নিজে নিয়ন্ত্রন করা- যতটুকু কাজ করবেন তার উপরই আপনার মূল্য নির্ধারণ করতে পারবেন ।
.
নিজের পছন্দ মতো কাজ করা – অঙ্কনে আপনি আগ্রহী কিস্তু আটকে আছেন একাউন্টিং-এ ? আপনার পছন্দকে গুরুত্ব দিন । ফ্রীল্যান্সিং কেই বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের পেশা।
.
ঘুম থেকে উঠুন ইচ্ছে মতো – ইচ্ছা না থাকা সত্বেও রোজ সকালে ট্রাফিক জ্যাম ঠেলে অফিস যেতে হয় আবার রাতে বাসায় এসে পরিবাকে সময় দিতে হয় । কিন্তু ফ্রীল্যান্সিং-এ ইচ্ছে হলে আপনি সারা রাত জেগে কাজ করতে পারবেন আবার ইচ্ছে হলে সারা দিন কাজ করলেন । সবই আপনার ইচ্ছে মত ।
.
অপ্রত্যাশিত ঝামেলা নিজের হাতেই নিয়ন্ত্রন – যেহেতু কাজটি ২ জন ব্যক্তির মধ্যে ঘটে সেহেতু কোন প্রকার অপ্রত্যাশিত দুঘটনা বা অসুস্থতার কারণে কাজ করতে না পারলেও ২ জন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সহজেই সমাধান করে নিতে পারেন ।
.
যেখানে খুশি সেখানে কাজ করা – ছবি পোস্টের মতো ছোট খাটো কাজ আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোন স্খান থেকেই করতে পারেন।
.
সময় বাঁচান – ফ্রীল্যান্সিং করার জন্য কোন প্রকার ডিগ্রির প্রয়োজন নেই । কাজ জানলেই ঘরে বসে অথ উপাজন করতে পারবেন ।
.
নিজের হাতেই সব ক্ষমতা – আপনি যখন কোন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করবেন তখন ক্লায়েন্টের সাথে আপনার যোগাযোগ হবে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে । কিন্তু ফ্রীল্যান্সিং-এ ফ্রীল্যান্সার ও ক্লায়েন্টের মাঝে অন্য কেউ থাকে না যার ফলে তাদের মধ্যে একটি ভালো সম্পক গড়ে ওঠে ।

সংগ্রহীত

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *