Freelancing -এর ব্যাপারে আগ্রহীদের উদ্দেশ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ Topics

Freelancing -এর ব্যাপারে আগ্রহীদের উদ্দেশ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ Topics

১.Freelancing -এর ব্যাপারে আগ্রহীদের উদ্দেশ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ Topics

২. Freelancing এবং #Outsourcing দু’টি আলাদা Words, অতএব আলাদা অর্থ হওয়াটাই স্বাভাবিক। অথচ অনেককেই এই দু’টি বিষয়কে Mixed-up করে ফেলতে দেখা যায়। ব্যাপারটা বুঝতে হবে…

৩. Marketplace গুলোর Language যেহেতু #English এবং Maximum Jobs (প্রায় সব) গুলো English Language Based, সেহেতু অন্ততপক্ষে Good Communicative English -এর কোনো বিকল্প নেই।

৪. বাংলাদেশের #তরুণী -দের (নারীদের) উচিৎ গতানুগতিক চাকরীর পেছনে না ছুটে, বিভিন্ন কোচিং -এর জন্য অধিক সময়ব্যয় না করে ডিগ্রী/অনার্স study চলাকালীন সময়ে (2 & half years running) অন্ততপক্ষে ৬ মাস মনযোগ সহকারে #Freelancing -এর জন্য সময় ব্যয় করা। তারা কোনোপ্রকার ফাঁকি না দিলে তাদের এই ব্যয়কৃত সময় কখনওই বৃথা যাবে না।

৫. Freelancing বোঝার ব্যাপারে মনযোগী হওয়ার চাইতে #টাকা উপার্জন (Dollar $ Earning) অথবা কোনো Senior/Experienced/Experts -দের Monthly #Income -এর দিকে মনযোগী হলে কাঙ্খীত সফলতা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তাছাড়া নিজের উপার্জনের ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্নভাবে, বিভিন্নজনের কাছ থেকে জিজ্ঞাসিত হওয়া একজন Freelancer -এর জন্য বিব্রতকর, বিরক্তিকর এবং দুঃখজনক বিষয়ও বটে। এই ব্যাপার/বিষয় গুলো Fresher -দের মাথায় রাখা উচিৎ।

৬. কাঙ্খীত সফলতা অর্জনের জন্য সকল Fresher -দের উচিৎ #Earning -এর ব্যাপারে আগেই মনযোগী না হয়ে নিজেদেরকে অন্যদের (Clients -দের) কাছে দরকারি/জরুরী/Helpful হিসেবে গড়ে তোলা এবং সেভাবেই নিজেদেরকে উপস্থাপন করার ব্যাপারে বেশী মনযোগী হওয়া। Because, well-decorated Look/Presentation often brings “Jobs & Money”.

৭. Market -এ কাজ করতে হলে #Marketplace গুলো সম্পর্কেও ভালো ধারণা থাকতে হবে। সেইসাথে Marketplace গুলোর #Demand এবং নিজের পছন্দ অনুযায়ী Subject/Topic/Job Choose করে তার উপর নিজের Skills Develop করতে হবে। একটি Topic/Job ভালোভাবে শেখা ও বোঝার পর আরেকটার জন্য অগ্রসর হওয়া উচিৎ অথবা নিজের Capacity/Confidence ভালো হলে পাশাপাশি আরেকটি সহজ কোনো কাজও শেখা যেতে পারে। তবে একাধিক Skill Development -এর দিকে অগ্রসর হতে গেলে সাধারণত কাজ শেখা এবং অগ্রগতিতে বিলম্ব ও ক্ষতিসাধন হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

৮. “সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা” – এই নীতি মেনে চললে কখনওই কোনো ক্ষতি হয় না। প্রয়োজনে কিছু #Tricky পন্থা অবলম্বন করা যেতে পারে, তবে কোনোপ্রকার মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া মোটেও Wise নয়। কারণ, প্রকৃতিগতভাবেই মিথ্যা দুর্বল এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যে নিজের Activities -এর মাধ্যমেই তা ঠিকই প্রকাশ পেয়ে যাবে। তখন maeketplace গুলোতে এবং Clients -দের কাছে ঐ ব্যক্তির Bad Impression তৈরি হওয়ার সাথে সাথে ব্যক্তির Country/Region -এর অন্যান্য Freelancer -দের ব্যাপারেও Bad Impression তৈরি হয়। So, tricky way could be applicable but no lying…

৯. Freelancing বোঝা ও কাজ শেখার উৎস এবং সময়ের প্রতি Always Respectful থাকা Freelancing/Outsourcing Sector -এ সফল হওয়ার একটি সর্ত; যা খুবই গুরুত্ব সহকারে সকল Freshers -দের বিবেচনায় রাখা উচিৎ।

১০. Freelancing একটি #Noble Job; যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কল্যাণ সাধিত হয়। তাই এই পেশায় আসার আগে নিজের আগ্রহ, প্রচেষ্টা, ধৈর্য ও সততার বিষয় গুলো নিশ্চিত করা খুবই জরুরী।
_ _ _
সবাই সফলতা চায়, যার চাবিকাঠি কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়। আজকে যারা সফল – তারা একদিনেই এই অবস্থানে আসেনি। ধৈর্য সহকারে গন্তব্যে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে সম্ভাব্য সঠিক পথ গুলো অনুসন্ধান এবং অবলম্বনের ব্যাপারে তারা কোনো কার্পণ্য করেনি। ফলে Result হিসেবে Success আজ তাদের জন্য পুরস্কারে পরিণত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে Dollar ($) Earning -কে অধিক Priority না দিয়ে নিজেদেরকে Skilled & Needed হিসেবে তৈরি করার ব্যাপারে বেশী Priority দেওয়ার কারণেই আজ তারা Successful Freelancers হতে পেরেছে।

তাই Freelancing/Outsourcing -এর দিকে অগ্রসর হওয়ার আগে নতুন (Fresher) -দের উচিৎ আগে বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত হওয়া। প্রয়োজনে বিষয়টি সম্পর্কে কিছু বাংলা Articles পড়ে, Google অথবা YouTube Search করে Clear ধারনা নিতে হবে। সম্ভব হলে Freelancing বিষয়ক বিভিন্ন TV Programs দেখে এবং Free Seminars গুলো Attend করে Information সংগ্রহ করতে হবে। Facebook -এ Freelancing/Outsourcing সম্পর্কিত Posts, Comments এবং Group Activities গুলো মনযোগ সহকারে Regularly Follow করতে হবে। মাঝেমাঝে Post Commenting -এর মাধ্যমে নিজের কাঙ্খীত বিষয় গুলোর ব্যাপারে জানার চেষ্টা করতে হবে অথবা কোনো Experienced/Experts -দের কাছ থেকে Guideline নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পরিচিত কিংবা নির্ভরযোগ্য Experienced/Expert কোনো Freelancer ভাইয়া/আপু -র Guideline পেতে পারলেত কথাই নেই; তাদের মন জয়করে চলতে পারলে উপযুক্ত সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার পাশাপাশি অনেকসময় Practically কাজ করে শিক্ষানবিস অবস্থাতেই কিছু উপার্জন করার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে সেক্ষেত্রে তাদেরকে বিরক্ত না করে বিশ্বস্ততার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে এবং বেয়াদবি ও ফাঁকিবাজি না করে তাদের Instructions/Guidelines গুলো Follow করার আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। এরপর সকল সংগৃহীত তথ্য ও নিজের অবস্থার উপর ভিত্তি করে Freelancing/Outsourcing করার কিংবা এই Profession -এর দিকে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর নিজের সুবিধামতো Time-Frame/Schedule (৩/৬ মাস মেয়াদী) নির্ধারণ করে নিয়মিত সময় দেওয়ার মাধ্যমে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। এভাবে চালিয়ে যেতে পারলে ইনশা-আল্লাহ – নিজের ব্যয়কৃত মহামূল্যবান সময়ের উত্তম প্রতিদান পাওয়ার মাধ্যমে Success -টাকে অর্জন করে নেওয়া সম্ভব হবে।
_ _ _
[বিঃদ্রঃ আমার ব্যক্তিগত বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু বিষয় এখানে Share করলাম। তবে স্থান, কাল, পাত্র ও প্রেক্ষাপটের ভিন্নতার কারণে অন্যকারো ভিন্ন অভিজ্ঞতা থাকাটাও স্বাভাবিক।]

লেখকঃ Md Zakiul Haque

Spread the love

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *